শীতেও চুল উজ্জ্বল রাখার পন্থা

চুল উজ্জ্বল রাখার পন্থা

শীত এলে ত্বকের পাশাপাশি করুণ হতে থাকে চুলের অবস্থাও। শীতের শুষ্কতা আমাদের ত্বক আর চুলের প্রাণ কেড়ে নিতে চায় যেন! উজ্জ্বল চুলগুলো হতে শুরু করে নিষ্প্রভ। তাই এসময় নিয়মিত যত্ন না নিলে ধীরে ধীরে তা আরো শ্রীহীন হয়ে পড়ে। তাই শীতেও চুল সুন্দর আর সুস্থ রাখতে চাইলে নিতে হবে যত্ন। চলুন জেনে নেই  –

১. রোদ, ধুলো–বালি, বৃষ্টি ইত্যাদি চুলের প্রচণ্ড ক্ষতি করে। চুলকে শুষ্ক ও রুক্ষ বানিয়ে দেয়।তাই বাইরে বের হওয়ার সময়ে অবশ্যই ছাতা ব্যবহার করুন। পারলে স্কার্ফ জাতীয় কিছু দিয়েমাথার চুল ঢেকে বাইরে বের হোন।

২. প্রতিদিন কমপক্ষে ৩–৪ লিটার জল খান। এতে চুল পড়াও কমবে। চুলও উজ্জ্বল হবে।

৩. প্রতিদিন চুলে শ্যাম্পু ব্যবহার করলে চুলের প্রাকৃতিক তেল নিঃসরণ ক্ষমতা কমে যেতেথাকে। তাই ২–৩ দিন অন্তর শ্যাম্পু ব্যবহার করাই শ্রেয়।

৪. ভেজা অবস্থায় চিড়ুনি দিয়ে চুল আঁচড়ালে চুলের গোড়া অনেক বেশি নরম হয়ে যায়।চুল পড়ে যেতে শুরু করে। তাই চুল শুকানোর পরে বড় দাঁতের চিরুনি দিয়েই চুল আঁচড়ান।

৫. গরম জলে চুল ধোবেন না। এতে চুল রুক্ষ হয়ে যায়। চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যাও দেখাদেয়। তাই সব সময় মাথায় ঠান্ডা জলই ব্যবহার করুন।

৬. সুস্থ এবং ভাল চুলের জন্য কিছু ঘরোয়া টোটকাও ব্যবহার করতে পারেন। শ্যাম্পুর পরেএক টেবিল চামচ লেবুর রস চুলে ম্যাসাজ করে নিলে চুল অনেক বেশি ঝলমলে দেখায়।

৭. এক কাপ কন্ডিশনারের সঙ্গে ২–৩ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এবারভেজা চুলে এই প্যাক লাগিয়ে ৩০মিনিট অপেক্ষা করুন। তার পরে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুনচুল। এটি চুল নরম ও মসৃণ করতে সাহায্য করে।

৮. প্রথমে চুল ভিজিয়ে নিন। এবার একটি ডিম ফাটিয়ে পুরো মাথায় লাগিয়ে ২০ মিনিটঅপেক্ষা করুন। এর পরে ঠান্ডা জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে চুলের রুক্ষতা দূর হবে।

৯. একদম উষ্ণ জলের সঙ্গে সম পরিমাণ আপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে চুলে লাগান।৫মিনিট পরে জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এটি চুলের শুষ্কতা দূর করে চুল সুস্থ রাখতেসাহায্য করে।

 

ভেজা চুল হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে শুকানোর চেষ্টা না করাই ভালো। এতে চুল রুক্ষ হয়ে যায়। তাছাড়া চুলের গোড়াও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।

error: Alert: Content Copying is protected !!