চিকিৎসায় অভাবনীয় সাফল্য, নবজাতকের জন্মের আগেই জানা যাবে বিরল রোগ

Newborn

ইংল্যান্ডে নবজাতক ও শিশুদের জন্য যুগান্তকারী এক ডিএনএ পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করেছেন গবেষকরা। এতে করে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শিশুর হাজারো বিরল রোগ সম্পর্কে আগে থেকেই জানার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

নতুন এই পরীক্ষার নাম দেয়া হয়েছে ‘হোল এক্সাম সিকোয়েন্সিং’। এতে মাত্র ২৭ ঘণ্টায় মানুষের প্রায় ২০ হাজার জিন স্ক্যান করা যায়। আর এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে ১০ দিন সময় দিতে হয়। এতে করে শিশুর প্রায় ৫ হাজার সম্ভাব্য জটিল ও বিরল রোগ সম্পর্কে জানা যায়।

গত বছরের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ৮০টি শিশু ও নবজাতকের ওপর এই পরীক্ষা চালানো হয়েছে। বৃটেনের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস আশা করছে এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতি বছর অন্তত ৭০০ শিশুকে চিকিৎসা সেবা দেয়া সম্ভব।
নতুন এই ডিএনএ পরীক্ষাটি উদ্ভাবন করেছেন বৃটেনের সাউথ ওয়েস্ট জিনোমিক ল্যাবরেটরি হাবের সায়েন্টিফিক ডিরেক্টর সিয়ান এলার্ড। তিনি জানান, ‘এটি একটি বিরাট পদক্ষেপ। কারণ ২৫ বছর আগে শিশুদের বিরল রোগ শনাক্তের জন্য জেনেটিক যেসব পরীক্ষা চালু হয়, সে সময় প্রতিটি আলাদা রোগের জন্য আলাদা পরীক্ষা করাতে হতো। সে কারণে তখন হাতেগোনা কিছু বিরল রোগের পরীক্ষা করাতে পারতাম আমরা। এখন সেটা কোনো সমস্যাই না।’

বিভিন্ন হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে থাকা শিশুদের জন্য নতুন এই পরীক্ষার ফি ধরা হয়েছে ২ হাজার পাউন্ড। গবেষকরা বলছেন, শিশুদের জটিল ও বিরল রোগের কারণে বাবা-মায়েরা নিদারুণ কষ্টে ভোগেন। নতুন এই ডিএনএ টেস্ট তাদেরকে আগে থেকেই জটিল সব রোগের ব্যাপারে সতর্ক হতে পথ দেখাবে। সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট

error: Alert: Content Copying is protected !!